২৬ মে ২০২৬, ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
চুয়াডাঙ্গায় ৭১ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার দাদার কবরের জায়গা দখল করে তৃতীয় লিঙ্গ এক নারীকে মারধর সহ শ্লীলতাহানির অভিযোগে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বানারীপাড়ায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৫ হাজার দরিদ্র পরিবারে সাবেক হুইপ জামাল পরিবারের শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ বরিশালে ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসা, র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৪ নং দিওড় ইউনিয়নবাসী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান আঃ মালেক মন্ডল ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেলেন চুয়াডাঙ্গার ১ বন্দি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা সীমান্তে ৫টি স্বর্ণসহ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা আটক ​তেঁতুলিয়ার শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুন্নের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিরামপুরে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব জোতবানি ইউনিয়নে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত, চরম মানবিক বিপর্যয় দর্শনায় ২ নারীসহ ৫ পলাতক আসামি গ্রেফতার
ঝালকাঠির সেই বিতর্কিত জেলারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

ঝালকাঠির সেই বিতর্কিত জেলারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
কারাবন্দী স্বামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে নারী দর্শনার্থীকে রাত কাটানোর প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে ঝালকাঠি জেলা কারাগারের কারাধ্যক্ষ (জেলার) আক্তার হোসেন শেখকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে বরিশাল কারা উপ মহাপরিদর্শকের দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর কারা মহা পরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম আনিসুল হক স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝালকাঠির কারা তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মিলন চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলারকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে ঝালকাঠি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট কারা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বরিশালের ডিআইজি প্রিজন ও ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে , ওই নারীর স্বামী একটি মামলায় ২৯ জুলাই থেকে ঝালকাঠি জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। তার সঙ্গে দেখা করার জন্য অসংখ্যবার জেল গেটে গেলেও দেখা করতে পারিনি। পরে জেলের এক কর্মচারীর পরামর্শে জেলার আক্তার হোসেন শেখের সরকারি নম্বরে ফোন করে স্বামীর সঙ্গে দেখা করার বিষয়টি জানায়। পরবর্তী সময়ে তিনি (জেলার) তার স্বামীর সঙ্গে দেখার ব্যবস্থা না করিয়ে ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করে দিয়ে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর চেয়ে নেন। এরপর থেকে জেলার বিভিন্ন সময় ওই নারীকে কল করে কথা বলতেন।

তিনি তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভিডিও কল দিয়ে নানা ধরনের কথা বলে সময় কাটাতেন। এক পর্যায়ে তাকে প্রস্তাব দিয়ে বলেন, তাকে সময় দিলে তিনি তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দেবেন।এছাড়া জেলার ওই নারীর নলছিটির বাড়িতে এসে একসঙ্গে রাত কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এতে রাজি না হওয়ায় তার স্বামীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি স্বামীকে জেলের ভেতরে শাস্তি দেবেন বলেও ভয়ভীতি দেখান।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019